নিজস্ব সংবাদদাতা,কাকদ্বীপঃ ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব ও নদীতে জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কার মধ্যেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের ৮ নম্বর ঘাট এবং সাগরের কচুবেড়িয়া ঘাটে দেখা গেল উদ্বেগজনক ছবি। জোয়ারের জলে ডুবে গিয়েছে এলসিডি ভেসেল ঘাটের একাংশ। সেই জল পেরিয়েই একের পর এক মালবাহী লরি ও যাত্রীবাহী চারচাকা গাড়িকে পারাপার করতে দেখা যায়। এই দৃশ্য ঘিরে ঘাটে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। অন্যদিকে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি পারাপার করতে দেখা যায় চালকদের।
জোয়ারের জলে ডুবল ঘাটের নামার অংশ, বিপাকে চালকরা
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা, কাকদ্বীপ-সহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা চারচাকা গাড়ি, ১২ চাকার লরি, ছোট হাতি এবং পর্যটকদের গাড়ি এই এলসিডি ভেসেলের মাধ্যমে নদী পারাপার করে। কখনও মালবোঝাই, আবার কখনও খালি গাড়ি নিয়ে এই পথে যাতায়াত করতে হয় চালকদের। কিন্তু সাম্প্রতিক আবহাওয়া পরিস্থিতি ও নদীর জলস্তর বৃদ্ধির জেরে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। সকালে ভেসেলে করে বেশ কয়েকটি গাড়ি ও যাত্রী ঘাটে পৌঁছলেও, ততক্ষণে জোয়ারের জলে ডুবে গিয়েছিল ঘাটের নামার অংশ। ফলে জল পেরিয়েই গাড়িগুলিকে উপরে উঠে আসতে দেখা যায়।
গাড়ির চাকা পর্যন্ত জলে, নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ
ঘাটে উপস্থিত মানুষের নজরে আসে, কোনও কোনও গাড়ির চাকা পর্যন্ত জলে ডুবে যাচ্ছে। জলমগ্ন ঘাট দিয়ে গাড়ি পারাপার করতে গিয়ে কয়েকজন চালককে দ্বিধাগ্রস্ত হতেও দেখা যায়। অন্যদিকে, নদীর জলের মধ্যে দিয়ে একের পর এক গাড়ি চলাচলের দৃশ্য দেখতে ঘাটে ভিড় জমান সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি দেখে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। যদিও এই ঘটনায় কোনও অঘটনের খবর পাওয়া যায়নি, তবুও জোয়ারের সময় এভাবে জলমগ্ন ঘাট দিয়ে মালবাহী ও যাত্রীবাহী গাড়ি পারাপার কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যাত্রী ও চালকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।




